এরপর একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা বা ট্রলার ভাড়া করে চরটির উদ্দেশ্যে যাত্রা করলাম। সামান্য কিছুদূর যাবার পর বৃষ্টির মাত্রা বেড়ে গেল আর আমরা উপায় না দেখে আমাদের ক্যামেরাগুলো যার যার ব্যাগ এ পলিথিন পেচিয়ে নিরাপদে রাখলাম। ভ্রমণে আমাদের সাথে একজন দূরপাল্লার সাঁতুরু ছিলেন; তিনি তাঁর সাঁতারের পোষাক পরে নদীতে নেমে পরলেন আর আমাদের গন্তব্য স্থানের দিকে সাঁতার কাটতে লাগলেন। আমরা মুগ্ধ হয়ে তাঁর সাঁতার দেখতে দেখতে আর বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে চলতে থাকলাম। চরের কাছাকাছি পৌঁছে সাঁতারুকে আবার ট্রলারে তুলে নিলাম। চরে পৌঁছে আমরা কয়েকজন চরে নেমে পরলাম, বাকিরা ট্রলারেই থাকল। চরে আমরা হাঁটলাম, দাপাদাপি করলাম, কেউ কেউ হালকা হলেন; খু্ব ভাল লাগছিল। একদিকে বেশ ভাল বৃষ্টি, আর ঠান্ডা কনকনে বাতাস - সবাই ঠান্ডায় কাঁপছিল। চর থেকে পদ্মার কোন তীর দেখা যাচ্ছিল না, যেন সমুদ্র সৈকত এ দাঁড়িয়ে আছি - খুবই চমৎকার অনুভূতি। এখন এত কষ্ট করে এলাম কিন্তু বৃষ্টির কারণে ক্যামেরা তো আর বের করতে পারছি না - কি করি? ভাবছেন তাহলে এখানে ছবি দিলাম কিভাবে? আরে মোবাইল ফোন আছে না! আমার প্রিয় সনি এরিকশন এর কে৭৫০ মডেল এর মোবাইল ফোন এর ক্যামেরা দিয়েই তুললাম বেশ কিছু ছবি। পোষ্ট করা সবগুলো ছবিই এটা দিয়ে তুলা। শেষের ছবিটি ফিরতি পথে ট্রলার থেকে তুলা। মাওয়া ঘাটে আমরা একেকজন কাক ভিজা হয়ে নামলাম তারপর দ্রুত এক হোটেলে হানা দিলাম; কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের সামনে গরম গরম ভাজা পদ্মার বিখ্যাত ইলিশ মাছ আর ভাত পরিবেশন করা হল আর আমরা গোগ্রাসে মজা করে খেলাম - আহ!
অনেকদিন পর একটা অন্যরকম ভাল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে ঢাকা ফিরে আসলাম।








পোস্টটি ডিডি'র ফটোগ্রাফি ট্যুর এর জন্য একটি লক্ষণীয় বিষয় আছে আর তা হলো যাদের ক্যামেরা নেই বলে আফসোস করছেন তাদের মোবাইল ফোনের ক্যামেরাটিই হতে পারে ছবি তুলার জন্য যথেষ্ট। কাজেই যার যা আছে তা নিয়েই চলে আসুন।
bangla porte na parle kosto kore j kono unicode bangla font jemon solaimanlipi, apona lohit font download kore install kore nin

Nurul Amin Russel
Dhaka, BD
